এর মধ্যে অ্যাডাম জাম্পা, কেন রিচার্ডসনের মতো বিদেশি যেমন আছেন, তেমনি আছেন ভারতের রবিচন্দ্র অশ্বিনও। এমনকি কিছু ভারতীয় মিডিয়াও আইপিএলের খবর প্রকাশ স্থগিত করেছে। তবে আইপিএল সংশ্লিষ্ট বেশিরভাগই এই মহামারির মনখারাপের দিনে ‘আনন্দের উপলক্ষ সৃষ্টি’র জন্য খেলা চালিয়ে রাখার পক্ষে।

আটটি দল নিয়ে এবারের আইপিএল শুরু হয়েছে ৯ এপ্রিল, সংশ্নিষ্ট সবাইকে রাখা হয়েছে বিশেষ বলয়ের ভেতরে। হোম-অ্যাওয়ে ভিত্তিক টুর্নামেন্টটির এবারের ম্যাচগুলো একই সময়ে দুটি করে ভেন্যুতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত প্রথম দফার খেলা হয়েছে মুম্বাই ও চেন্নাইয়ে; যে দুটি শহর করোনা সংক্রমণের প্রথম দিকে আছে।

গতকাল সোমবার শুরু হয়েছে আহমেদাবাদে, আজ মঙ্গলবার থেকে হবে করোনা উপদ্রুত দিল্লিতেও। প্রতিনিয়ত সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে ভারতের স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা একপ্রকার ভেঙে পড়ায় এবং ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞায় আটকে পড়ার সম্ভাবনায় আতঙ্কিত বোধ করছেন অনেকে।

গতকাল সোমবার রয়েল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু অফিশিয়াল বিবৃতিতে জানায়, দুই অস্ট্রেলিয়ান জাম্পা ও রিচার্ডসন দেশে ফিরে যাচ্ছেন। রাজস্থান রয়্যালস জানায় অ্যান্ড্রু টাইয়ের চলে যাওয়ার কথা। প্রথম দু’জন প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য না করলেও টাই ‘লকডাউনে আটকে পড়া’র শঙ্কার কথা জানিয়েছেন।

এদিকে দিল্লি ক্যাপিটালসে খেলা অশ্বিন টুইটে জানিয়েছেন, তার পরিবার ও অন্যরা করোনার বিরুদ্ধে যে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে, সেই লড়াইয়ে সহায়তা করতে তিনি এ বছরের আইপিএল থেকে সরে যাচ্ছেন। যদি পরিস্থিতির উন্নতি হয় তাহলে ফিরবেন। দেশি-বিদেশি ক্রিকেটারদের এভাবে আইপিএল ছেড়ে যাওয়াকে সহজভাবেই নিচ্ছে কর্তৃপক্ষ।

নাম প্রকাশে এক অনিচ্ছুক বিসিসিআই কর্মকর্তা ‘ইচ্ছা হলে যে কেউ যেতে পারে’ বলে মন্তব্য করেছেন। তবে অধিকাংশই থেকে যাওয়ার পক্ষে। অস্ট্রেলিয়ার প্যাট কামিন্স ও কোচ রিকি পন্টিং যেমন খেলা চালিয়ে যেতে চান। কামিন্স এরই মধ্যে অক্সিজেন সামগ্রীর জন্য ৫০ হাজার ডলার অনুদানও দিয়েছেন।