নিউজ ডেস্কঃ  সরকার ‘উদ্ভট কল্পকাহিনী’ সাজিয়ে বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করছে বলে অভিযোগ করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

তিনি বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ধবংস করতেই সরকার বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালনা করছে। এমনকি জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপউদ্দেশ্যে দলের চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও সিনিয়র নেতবৃন্দকে জড়িয়ে কল্পকাহিনী তৈরির মাধ্যমে রাষ্ট্রশক্তিকে ব্যবহার করে তা প্রচার করা হচ্ছে।’

গতকাল মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে তিনি এসব অভিযোগ করেন। চট্টগ্রামের হাটাজারীতে দলের তিন শতাধিক নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “অপরিকল্পিত লকডাউনে বিরোধী দলের ওপর ক্রাকডাউনের ধারাবাহিকতায় সারাদেশে বিএনপিসহ বিরোধী দলেরর নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট মামলা দায়েরেরে অংশ হিসেবে দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, হাটজারীর আব্দুস শুক্কুরসহ তিন শতাধিক নেতা-কর্মীর নামে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। হেফাজতে ইসলামের কোনো কর্মসূচির সঙ্গে সম্পৃক্ততা না থাকলেও রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিএনপিকে জড়িয়ে জনদৃষ্টিকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করতেই এই মামলা দেওয়া হয়েছে।”

বিবৃতিতে মহাসচিব বলেন, “রোজা ও করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যেও হরহামেশা নেতা-কর্মীদের বাড়ি বাড়ি গ্রেপ্তার অভিযান চালিয়ে তাদের পরিবার-পরিজনের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করছে পুলিশ। নেতা-কর্মীদের বাড়িতে না পেয়ে তাদের পরিবারের লোকজনকে থানায় ডেকে হুমকি ও চাপ দেওয়া হচ্ছে।”

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের কোনো গণভিত্তি নেই। তারা জুলুম-নির্যাতন ও সন্ত্রাসের ওপর নির্ভরশীল। জোর করে ক্ষমতা ধরে রাখতে গিয়ে সরকার বিকারগ্রস্ত হয়ে পড়েছে। দেশে আইনের শাসনের বদলে আওয়ামী শাসনের এক বিভতস্য বিকৃত তীব মাত্রা ধারণ করেছে। যার ফলে সমাজে কোনো সন্মান, নিরাপত্তা ও জীবনযাপনের স্বাভাবিকতা নেই। সর্বত্র সরকারের উন্মাত্ত আচরণ মোকাবিলা করে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠায় ঐক্যবদ্ধ গণতান্ত্রিক শক্তিকে এগিয়ে আসার কোনো বিকল্প নেই।’