২১শে জুন, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই আষাঢ়, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১১ই জিলকদ, ১৪৪২ হিজরি

এমসি কলেজের অধ্যক্ষ-হোস্টেল সুপারকে বরখাস্তের নির্দেশ : হাইকোর্ট

newsup
প্রকাশিত জুন ২, ২০২১
এমসি কলেজের অধ্যক্ষ-হোস্টেল সুপারকে বরখাস্তের নির্দেশ : হাইকোর্ট

নিউজ ডেস্কঃ  সিলেটের এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় কলেজটির অধ্যক্ষ ও হোস্টেল সুপারকে বরখাস্তের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়া ও বিচারপতি মো. কামরুল হোসেন মোল্লার বেঞ্চ আজ বুধবার (২ জুন) দুপুরে এই আদেশ দিয়েছেন। ওই ঘটনায় হোস্টেল সুপার ও প্রহরীদের দায়িত্বে অবহেলা ছিল বলে উল্লেখ করা হয়েছে যৌথ অনুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদনে। বলা হয়েছে, কলেজের অধ্যক্ষ এর দায় এড়াতে পারেন না।

গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় স্বামীকে সঙ্গে নিয়ে এমসি কলেজে বেড়াতে গিয়ে গণধর্ষণের শিকার হন এক গৃহবধূ। স্বামীকে বেঁধে মারধর করে ছাত্রাবাসে ধর্ষণ করা হয় ওই গৃহবধূকে। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁদেরকে উদ্ধার করে। এরপর ওইদিন রাতেই শাহপরাণ থানায় মামলা করেন নির্যাতিতার স্বামী। মামলায় ছয়জনের নাম উল্লেখ এবং আরো অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনকে আসামি করা হয়। আসামিরা হলেন এম. সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক আহমদ, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান। এরা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত।

আসামিদের মধ্যে তারেক ও রবিউল বহিরাগত, বাকিরা এমসি কলেজের ছাত্র। ওই ঘটনায় একাধিক তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। এর মধ্যে সিলেটের জেলা ও দায়রা জজের নেতৃত্বে গঠিত তিন সদস্যের কমিটির ১৭৯ পৃষ্ঠার প্রতিবেদন গতবছর ২০ অক্টোবর হাইকোর্টে দাখিল করা হয়। ওই প্রতিবেদনে কলেজের অধ্যক্ষ, দুইজন তত্বাবধায়ক নিরাপত্তা কর্মীদের দায়ী করা হয়।

পরবর্তীতে মামলায় গতবছর ৩ ডিসেম্বর সাইফুর রহমানসহ ছাত্রলীগের আট নেতাকর্মীকে আসামি করে আদালতে পৃথক দুটি অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। একটি ধর্ষণের অভিযোগে এবং অপরটি ছিনতাইয়ের অভিযোগে দেওয়া হয়। এর মধ্যে ধর্ষণের অভিযোগের মামলাটি সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে গত ১৭ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। আর ছিনতাইয়ের অভিযোগের মামলা সিলেট দায়রা জজ আদালতে বিচারাধীন। এ অবস্থায় হাইকোর্ট গত ৭ ফেব্রুয়ারি এক আদেশে উভয় মামলা একই আদালতে বিচার করার নির্দেশ দেন।

এর পর একই বছরের ২৯ সেপ্টেম্বর সুয়োমোটোভাবে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। রুলে নিরাপরাধ গৃহবধূর নিরাপত্তা দিতে অবহেলা ও ব্যর্থতা এবং কলেজ ক্যাম্পাসে অছাত্রদের অনুপ্রবেশ ঠেকাতে এমসি কলেজের অধ্যক্ষ ও হল সুপারের নীরবতার কারণে তাদের বিরুদ্ধে কেন শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না তা জানতে চাওয়া হয়।

শিক্ষা, আইন ও স্বরাষ্ট্রসচিব, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, এমসি কলেজের অধ্যক্ষ, সিলেটের জেলা প্রশাসক, সিলেট মহানগর পুলিশের কমিশনার, হল সুপারসহ ৯ জনকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়। এ রুলের ওপর গত ১১ মার্চ শুনানি সম্পন্ন হয়। এরপর আদালত যেকোনো দিন রায়ের জন্য অপেক্ষমান রাখার আদেশ দেন।


সংবাদটি পড়ে ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
June 2021
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
282930  

https://www.booked.net

+22
°
C
+22°
+19°
London
Monday, 29

 

See 7-Day Forecast