বলে রাখা ভালো, ডেটা সেন্টারের ভেতরে ঘুমানো বেশ কঠিন। কারণ অনেক সময়ই সার্ভার থেকে নির্গত গরম বাতাস ঘর গরম করে ফেলে, আবার অনেক সময় চলতে থাকা এসির কারণে ঘর খুব বেশি ঠাণ্ডা হয়ে যায়।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়তে শুরু করার পর প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো অবশ্য নিজ নিজ কর্মীকে দূর থেকে কাজ করার সুযোগ দিয়েছিল। কিন্তু কিছু কর্মীকে সবকিছু ঠিক রাখার স্বার্থে সশরীরের উপস্থিত হতে হয় সাইটে।

মহামারিতে বিভিন্ন অনলাইন সেবা ব্যবহারের মাত্রাও হুট করে বেড়ে যায়। বিশেষ করে চাপ পড়েছিল মাইক্রোসফট টিমসের মতো যোগাযোগ ধাঁচের সেবাগুলোতে। ব্যবহারকারীদের নিরবিচ্ছিন্ন সেবা দিতে সার্বক্ষণিকভাবে সার্ভার তত্ত্বাবধানে রাখার প্রয়োজন পড়েছিল।

মাইক্রোসফটের এক মুখপাত্রের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হয়েছিল। তিনি ঘটনা নিশ্চিত করলেও ডেটা সেন্টারের কোন অংশে কর্মীরা ঘুমিয়েছেন বা কত জনকে এভাবে থাকতে হয়েছে সে বিষয়ে জানাতে রাজি হননি।

তবে, কাউকে কাজ করতে বাধ্য করেনি মাইক্রোসফট। ডেটা সেন্টারে কেউ আসতে না চাইলে বা রাস্তায় বের হতে না চাইলে, তাকে ঘরে থাকার সুযোগ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। অনেক কর্মীই ওই সময়ে বাসে চড়তে চাননি, তাদেরকে গাড়ি দিয়ে আনা নেওয়ার ব্যবস্থাও করেছে মার্কিন এ সফটওয়্যার জায়ান্ট।