প্রেসিডেন্ট বাইডেন আরও বলেন, রাশিয়া-জার্মানি গ্যাস পাইপলাইনের বিষয়ে উদ্বিগ্ন তিনি। তবে তারা এটাও একমত হয়েছেন যে, জ্বালানিকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের সুযোগ মস্কোকে তারা দেবেন না। খবর বিবিসির।

এছাড়া চীনের ‘গণতন্ত্র-বিরোধী কর্মকাণ্ডের’ বিষয়েও জার্মানি ও যুক্তরাষ্ট্র বিরোধিতা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন ডেমোক্র্যাটিক এই প্রেসিডেন্ট।

তবে রাশিয়ার প্রাকৃতিক গ্যাস পাইপলাইন নিয়ে জো বাইডেন ও অ্যাঙ্গেলা মেরকেলের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দিয়েছে।

বাইডেন বলেন, ইউক্রেনের জ্বালানি নিরাপত্তা দুর্বল করা হলে কি কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে তা যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানি পর্যবেক্ষণ করবে।

যুক্তরাষ্ট্র ও জার্মানির শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে হোয়াইট হাউসে বৈঠকের পর বিকেলে মেরকেল বলেন, ‘এই প্রকল্পটির কারণে কী কী ঘটতে পারে তা নিয়ে আমরা বিভিন্ন ধরনের মূল্যায়ন করেছি। তবে আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই- আগের মতো প্রাকৃতিক গ্যাসের জন্য ইউক্রেনকে একটি ট্রানজিট দেশ হিসাবে ব্যবহার করতে হবে।’

উল্লেখ্য, ১১ হাজার কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের নর্ড স্ট্রিম টু গ্যাস পাইপলাইন সমাপ্তির কাছাকাছি রয়েছে। এই পাইপলাইন দিয়ে রাশিয়া থেকে দ্বিগুণ পরিমাণ গ্যাস আমদানি করতে পারবে জার্মানি। তবে এর কারণে ট্রানজিট ফি থেকে বঞ্চিত হবে ইউক্রেন।

সূত্র: মার্কিন সংবাদমাধ্যম ভয়েস অব আমেরিকা