ডা. থালহা খানের বিবাহোৎসবে যুক্তরাজ্যজুড়ে বিশিষ্টজনদের মিলনমেলা
ইঞ্জিনিয়ার খসরু খান ও মির্জা ফাতেমা খানের উষ্ণ অভ্যর্থনা; Midlands Excellency-তে কূটনীতিক, কমিউনিটি নেতা, পেশাজীবী ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি
যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত অতিথিদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান ডা. থালহা খানের বাবা ইঞ্জিনিয়ার খসরু খান ও মির্জা ফাতেমা খান। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে তাঁরা অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের স্বাগত জানান এবং তাঁদের উপস্থিতির জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ সময় পরিবারের সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জিনিয়ার খসরু খানের ভাই অ্যাকাউন্ট্যান্ট কবির খান, যিনি SKN Accountants & Business Advisors-এর পরিচালক, ইমরান খান, শহীদা খান, ডা. রশিদা খান, মাজিদা খান ও শাজিদা খান। এছাড়া পরিবারের পরবর্তী প্রজন্মের সদস্য হিসেবে উপস্থিত ছিলেন থামজীদ খান, মাদিহা খান ও ইয়াসিন খান। পরিবারের সদস্যদের সম্মিলিত উপস্থিতি ও আন্তরিক আতিথেয়তায় পুরো আয়োজনটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত বিশিষ্ট ব্যক্তি, কমিউনিটি নেতা, চিকিৎসক, ব্যারিস্টার, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রাণবন্ত উপস্থিতিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় ডা. থালহা খানের বিবাহোৎসব। গত ১০ আগস্ট ২০২৬ টেলফোর্ডের Midlands Excellency-তে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটির বিভিন্ন অঙ্গনের অতিথিরা নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা ও আশীর্বাদ জানান।

বর্ণাঢ্য আয়োজনে উৎসবমুখর পরিবেশ
অনুষ্ঠানটি শুরু হয় মনোরম গার্ডেন বারবিকিউ দিয়ে। এরপর অ্যামেজিং লাউঞ্জে অতিথিদের জন্য পরিবেশন করা হয় ফিঙ্গার ফুড। পরে সবাই মূল অনুষ্ঠান হলে প্রবেশ করেন, যেখানে বর্ণাঢ্য প্রসেশন, নান্দনিক সাজসজ্জা এবং সুস্বাদু ভোজের মধ্য দিয়ে সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। আন্তরিক আতিথেয়তা ও অতিথিদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আয়োজনটিকে আরও স্মরণীয় করে তোলে।

বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতি
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্রিটিশ মেম্বার অব পার্লামেন্ট ব্যারিস্টার আয়ুব খান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সাবেক ব্রিটিশ হাইকমিশনার মি. আনোয়ার চৌধুরী।
গ্রেটার সিলেট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কাউন্সিল (GSC UK)-এর শীর্ষ নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন চেয়ারম্যান মি. সালেহ আহমদ, সাবেক চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আতাউর রহমান, সাধারণ সম্পাদক মো. ফিরুজ খান, কোষাধ্যক্ষ মি. আরজু মিয়া MBE এবং প্রধান চ্যারিটি কো-অর্ডিনেটর মি. মনছব আলী JP। এছাড়া যুক্তরাজ্যজুড়ে GSC-এর ১২টি অঞ্চলের নেতৃবৃন্দও অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন।
সুনামগঞ্জি ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান মি. সানওয়ার আলী কুয়েস-সহ বিভিন্ন কমিউনিটি সংগঠনের প্রতিনিধিরাও নবদম্পতির আনন্দে শরিক হন।

বাংলা কাগজের নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি
ডা. থালহা খানের বিবাহোৎসবে বাংলা কাগজ মিডিয়া-র নেতৃবৃন্দ ও প্রতিনিধিরাও উপস্থিত থেকে নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বাংলা কাগজের চেয়ারম্যান মি. আবুল আজাদ, নির্বাহী সম্পাদক মি. রিয়াদ আহাদ, কলামিস্ট মি. শাবুল চৌধুরী, পরিচালক ও কাউন্সিলর আবদুল মঈন চৌধুরী সুমন, পরিচালক আবদুল কাদির আবুল, পরিচালক রুহুল আমিন চৌধুরী, চেয়ারম্যান অব অ্যাডভাইজার মাফিজ খান এবং অ্যাডভাইজার ফিরুজ রব্বানী-সহ বাংলা কাগজের অন্যান্য সদস্য।
এছাড়া অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন খ্যাতিমান কবি ও লেখক মি. তাবেদার রাসুল বকুল। লন্ডন বাংলা প্রেস ক্লাব-এর কোষাধ্যক্ষ মো. হান্না, সাবেক কোষাধ্যক্ষ সালেহ আহমদ এবং আবদুল কাইয়ুম-ও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতি
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মাল্টিপারপাস সেন্টারের চেয়ারম্যান মি. কামরুল হাসান চুনু, বার্মিংহাম বাংলা প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মি. গোলাম মোস্তফা চৌধুরী, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. আবদুল খালেক, বাংলাদেশ মাল্টিপারপাস সেন্টারের সেক্রেটারি ফাইজুর রহমান চৌধুরী MBE, GSC-এর সাবেক সেক্রেটারি হাজী এনামুর রহমান এবং দারুসসুন্নাহ ফাউন্ডেশনের প্রিন্সিপাল মুফতি তাজুল ইসলাম।
এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বার্মিংহাম বিজনেস অ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান আবদুল মালিক পারভেজ, হোপ চ্যারিটির চেয়ারম্যান ফাইজ উদ্দিন MBE, GSC North-এর চেয়ারম্যান মির্জা আসকির বেগ, ওল্ডহামের কাউন্সিলর ও সাবেক লর্ড মেয়র আবদুল জব্বার, কাউন্সিলর মায়া আলী, কভেন্ট্রির সাবেক কাউন্সিলর আবদুল জব্বার, জিয়াউল ইসলাম এবং কনসালট্যান্ট পডিয়াট্রিস্ট সোমুজ মিয়া।
এছাড়াও যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে আগত অন্যান্য কমিউনিটি নেতা, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মী, সংগঠক এবং বাংলাদেশি কমিউনিটির প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।
বিএনপি নেতার উপস্থিতি
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান মি. শাহ আকতার হোসাইন টুটুল। তিনি অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথি ও কমিউনিটি নেতৃবৃন্দের সঙ্গে নবদম্পতির আনন্দে অংশ নেন এবং তাঁদের শুভকামনা জানান।
আবেগঘন পারিবারিক মুহূর্ত
ডা. থালহা খানের বিবাহোৎসব ইঞ্জিনিয়ার খসরু খান ও মির্জা ফাতেমা খানের পরিবারের জন্য ছিল আনন্দ ও আবেগে ভরা এক বিশেষ দিন। যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে পরিবারের সদস্য, বন্ধু, সহকর্মী ও দীর্ঘদিনের শুভানুধ্যায়ীরা অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ায় তাঁরা গভীরভাবে আনন্দিত ও গর্বিত হন।
অতিথিদের উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানোর পাশাপাশি তাঁরা সবার উপস্থিতি, ভালোবাসা ও শুভকামনার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। দীর্ঘদিনের পরিচিতজন ও শুভানুধ্যায়ীদের একসঙ্গে পেয়ে পারিবারিক আনন্দের এই দিনটি আরও বিশেষ হয়ে ওঠে।

কমিউনিটির ঐক্যের উজ্জ্বল প্রতিচ্ছবি
বিবাহোৎসবে চিকিৎসক, শিক্ষক, ব্যারিস্টার, প্রকৌশলী, সাংবাদিক, কমিউনিটি প্রতিনিধি ও বিভিন্ন পেশাজীবীর পাশাপাশি বিএনপি নেতা মি. শাহ আকতার হোসাইন টুটুলও উপস্থিত ছিলেন।
বিশিষ্টজনদের এই ব্যাপক সমাগম ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটির পারস্পরিক সৌহার্দ্য, বন্ধন ও ঐক্যের একটি উজ্জ্বল প্রতিফলন হয়ে ওঠে। ডা. থালহা খানের বিবাহোৎসব শুধু একটি পারিবারিক আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি; এটি পরিণত হয় বন্ধু, সহকর্মী, কমিউনিটি নেতা, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও শুভানুধ্যায়ীদের এক প্রাণবন্ত মিলনমেলায়।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাই নবদম্পতি ডা. থালহা খান ও তাঁর পরিবারের প্রতি আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং তাঁদের দীর্ঘ, সুখী, সমৃদ্ধ ও বরকতময় দাম্পত্য জীবনের জন্য শুভকামনা জানান।
বর্ণাঢ্য আয়োজন, বিশিষ্ট অতিথিদের উপস্থিতি এবং পরিবারের আন্তরিক আতিথেয়তায় ডা. থালহা খানের বিবাহোৎসবটি যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশি কমিউনিটির জন্য একটি আনন্দময়, সৌহার্দ্যপূর্ণ ও স্মরণীয় আয়োজনে পরিণত হয়।


