প্রবাসী আয়ে টানা দ্বিতীয় মাসেও ৩ বিলিয়ন ডলারের নিচে বাংলাদেশ

প্রকাশিত: 7:45 PM, August 6, 2026 | আপডেট: 7:45:PM, August 6, 2026
প্রতীকী ছবি

 

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার অন্যতম প্রধান উৎস প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) টানা দ্বিতীয় মাসেও ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের নিচে অবস্থান করছে। সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জুলাই মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ প্রায় ২ দশমিক ৮৫ বিলিয়ন ডলার হয়েছে। যদিও এটি গত কয়েক বছরের মধ্যে জুলাই মাসের জন্য উল্লেখযোগ্য অঙ্ক, তবুও ধারাবাহিকভাবে ৩ বিলিয়ন ডলারের নিচে থাকায় অর্থনীতিবিদদের মধ্যে কিছুটা উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

 

 

আরও পড়ুন: আইএমএফের সঙ্গে নতুন অর্থনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা: কেন নতুন চুক্তির পথে বাংলাদেশ?

 

 

বিশ্লেষকদের মতে, প্রবাসী আয়ের প্রবাহ দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, আমদানি ব্যয় এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই রেমিট্যান্সের প্রবৃদ্ধি ধরে রাখা এবং বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ পাঠাতে প্রবাসীদের আরও উৎসাহিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

 

 

 

অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি, বিভিন্ন দেশে কর্মসংস্থানের পরিবর্তন এবং বিনিময় হার—এসব বিষয়ও রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রভাব ফেলতে পারে। তবে বৈধ চ্যানেলে অর্থ পাঠানোর সুবিধা বাড়ানো এবং প্রণোদনা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে রেমিট্যান্স আরও বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

 

 

বাংলাদেশ ব্যাংক ও সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো প্রবাসী আয়ের প্রবাহ আরও বাড়াতে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। একই সঙ্গে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের জন্য ব্যাংকিং সেবা সহজ করা এবং দ্রুত অর্থ প্রেরণের ব্যবস্থা জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

 

 

 

অর্থনীতিবিদদের মতে, রপ্তানি আয় ও রেমিট্যান্স—এই দুই খাতের ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেশের বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তাই প্রবাসী আয় বৃদ্ধির ধারা ধরে রাখতে সরকার, ব্যাংক এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

 

 

 

 

আরও পড়ুন:চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪.৪ শতাংশ: এইচএসবিসি