লন্ডনে ঝাকঝমক আয়োজনে এশিয়ান রেষ্টুরেন্ট এন্ড টেকওয়ে এওয়ার্ডস ২০২৬

প্রকাশিত: 7:47 PM, October 14, 2026 | আপডেট: 7:47:PM, October 14, 2026

বাংলা কাগজ ডেস্ক : প্রাচ্য ও পাশ্চাত্যের নানা আভিজ্যত্যতায় বর্ণিল অনুষ্টানের মাধ্যমে লন্ডনে অনুষ্ঠিত হয়েছে কমিউনিটির প্রেষ্টিজিয়াস ক্বারী অস্কার এশিয়ান রেষ্টুরেন্ট এন্ড টেকওয়ে এওয়ার্ডস ২০২৬। মুলধারার নানা সেলিব্রেটি এবং যুক্তরাজ্যের বাঙালী কমিউনিটির শীর্ষ ব্যসায়ী,কমিউনিটি ব্যাক্তিত্বসহ ক্বারি শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন শেফ এবং রেষ্টুরেন্টে টেকওয়ে ব্যবসায়ীদের উপস্থিতিতে গত ১২ অক্টোবর লন্ডনের অভিজাত পাঁচ তারকা হোটেল লন্ডন হিলটনের বলরুমে এই এওয়ার্ডস প্রদান অনুষ্টান অনুষ্ঠিত হয়। ভায়োলিনের শৈব্দিক মনোরম ছন্দে শুরু হওয়া অনুষ্টানে বিবিসির জনপ্রিয় নিউজ রিডার সামান্থা সিমন্ডস ও বৃটিশ কৌতুক অভিনেতা পল সিনহার প্রাণবন্ত সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন এশিয়ান রেষ্টুরেন্ট এন্ড টেকওয়ে এওয়ার্ডস এর ফাউন্ডার ও শেফ অন লাইনের প্রধান নির্বাহী এম এ মুনিম সালিক। এসময় তিনি ক্বারী শিল্পকে ব্রিটেনের বহুজাতীক সাংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন ব্যবসা পরিচালনায় বর্তমানে নানাবিধ সমস্যায় পর্যবসিত হচ্ছে; সেসব চিহ্নিত করে তা সমাধানেও এই অনুষ্টান গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি বলেন ক্বারী শিল্পে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি এবং এই শিল্পকে আরো সমৃদ্ধ করতে এই এওয়ার্ডের প্রবর্তন করা হয়েছে। অনুষ্টানের শুরুতেই সম্মানা এওয়ার্ড ও সনদ প্রদান করা হয় ক্যানারি ওয়ার্ফের কমিউনিকেশন্স অফিসার ও আরতা’র অ্যাম্বেসেডর ডঃ জাকির খানকে। পরবর্তীতে পুরো যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন রিজিওনের সেরা রেষ্টুরেন্ট,টেকওয়ে,শেফ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যবাসায়ীদের মধ্যে মোট ৪৩ জনকে চলতি বছর এওয়ার্ড ও সনদপত্র প্রদান করা হয়। এওয়ার্ড প্রদান অনুষ্টানে অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অভি ও নৃত্যশিল্পী লরেন গটলিব, সংগীত শিল্পী ও ভারতের লোকসভার সাবেক সদস্য হংসরাজ হংস এবং যুক্তরাজ্যের রচডেল আসনের সংসদ সদস্য ও প্রাথমিক শিক্ষা বিষয়ক মন্ত্রী পল ওয়াহ। পুরো আয়োজনকে আরো আকর্ষনীয় ও মনোরম করতে ছিলো নানা সাংস্কৃতিক পরিবেশনাও।
উল্লেখ্য এবারে আরতার জন্য যুক্তরাজ্যজুড়ে প্রায় এক হাজার দুই শত পঞ্চাশটিরও বেশি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান মনোনয়ন পায়। দশ লাখেরও বেশী অনলাইনে খাবার অর্ডার ও রেস্তোরাঁয় প্ল্যাটফর্ম শেফ অনলাইনের গ্রাহকদের মনোনয়নের মাধ্যমে নির্বাচিত করা হয় সেরাদের। নিম্নে এবারের আরতা এওয়ার্ডপ্রাপ্তদের তালিকা প্রদান করা হলো।

জাতীয় ও বিশেষ বিভাগে বিজয়ীরা
চ্যাম্পিয়ন অব চ্যাম্পিয়নস: মাই দিল্লি নিউক্যাসল, নিউক্যাসল আপন টাইন।
জাতীয় পর্যায়ে বর্ষসেরা শেফ বিভাগ: কস্তুরি ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট, কোলচেস্টার।
জাতীয় পর্যায়ে বর্ষসেরা টেকঅ্যাওয়ে: কানি কানা, আপমিনস্টার।
বর্ষসেরা স্ট্রিট ফুড রেস্তোরাঁ: বাবাজি, সান্ডারল্যান্ড।
বর্ষসেরা নবাগত প্রতিষ্ঠান: হোয়াইট টাইগার, কিংস ডকস, লিভারপুল।
বর্ষসেরা তুর্কি রেস্তোরাঁ: দ্য ব্যাংক, এনফিল্ড।
বর্ষসেরা ক্যাজুয়াল ডাইনিং রেস্তোরাঁ: গল্প বেঙ্গল ক্যাফে অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট, কেমব্রিজ।
বর্ষসেরা নিরামিষ রেস্তোরাঁ: মিট ফ্রি প্ল্যানেট, উলভারহ্যাম্পটন।
অঞ্চলভিত্তিক বর্ষসেরা রেস্তোরাঁ
উত্তর আয়ারল্যান্ড: নিউ দিল্লি রেস্টুরেন্ট লাউঞ্জ, বেলফাস্ট।
স্কটল্যান্ড: মেকং, ইস্ট কিলব্রাইড, গ্লাসগো।
ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস: অ্যালেসি ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট অ্যান্ড বার, স্টোক-অন-ট্রেন্ট।
উত্তর লন্ডন: টেস্ট অব নবাব, লন্ডন।
সারে: দ্য নিউ খাইবার, কিংসউড, ট্যাডওয়ার্থ।
সাউথ সেন্ট্রাল: হাভেলি, টোয়াইফোর্ড, রেডিং।
দক্ষিণ ওয়েলস: দ্য গ্র্যান্ড সুলতান, মার্গাম, পোর্ট ট্যালবট।
সাউথ ওয়েস্ট: বোম্বিল, ব্রিস্টল।
কেন্ট: মুঘল ডাইনেস্টি, মেইডস্টোন।
উত্তর ওয়েলস: আইজ্যাজ ইন্ডিয়ান কুইজিন, রেক্সহ্যাম।
ইস্ট মিডল্যান্ডস: অ্যারামিন্টাস, নর্থ্যাম্পটন।
হার্টফোর্ডশায়ার: নুভেল লাউঞ্জ, সেন্ট অ্যালবানস।
সাসেক্স: ট্যামারিন্ড ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট, নিউপোর্ট, আইল অব ওয়াইট।
ইস্ট অ্যাংলিয়া: লালবাগ বাংলাদেশি অ্যান্ড ইন্ডিয়ান ডাইনার, বোর্ন, কেমব্রিজ।
এসেক্স: কেলভেডন স্পাইস, কেলভেডন, কোলচেস্টার।
নর্থ ইস্ট: মাই দিল্লি নিউক্যাসল, নিউক্যাসল আপন টাইন।
মধ্য ও পশ্চিম লন্ডন: তাজমহল ইন্ডিয়ান কুইজিন, লন্ডন।
সিটি ও পূর্ব লন্ডন: গ্র্যান্ড রসুই রেস্টুরেন্ট, লন্ডন।
দক্ষিণ লন্ডন: শাদ ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট, লন্ডন।
নর্থ ওয়েস্ট: অক্ষয়া-দ্য পিকচার ড্রোম, লিভারপুল।
অঞ্চলভিত্তিক বর্ষসেরা শেফ বিভাগে বিজয়ীরা
ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস: টিক্কা টাউন, ক্যাসল ব্রোমউইচ, বার্মিংহাম।
সাউথ সেন্ট্রাল: স্পাইস মার্চেন্টস, সাউথসি, পোর্টসমাউথ।
নর্থ ইস্ট: দ্য ভাইন ইন্ডিয়ান কুইজিন, মসবরো, শেফিল্ড।
সাউথ ওয়েস্ট: টু শেফস, ওয়েস্টন-সুপার-মেয়ার।
স্কটল্যান্ড: গুর্খা কিচেন, এলন।
উত্তর লন্ডন: রুহিতস ইন্ডিয়ান কুইজিন, লন্ডন।
নর্থ ওয়েস্ট: জুনুন, হেলসবি।
এসেক্স: কস্তুরি ইন্ডিয়ান রেস্টুরেন্ট, কোলচেস্টার।
উত্তর আয়ারল্যান্ড: বাংলা, ব্যাঙ্গর।
হার্টফোর্ডশায়ার: অ্যারোমা লাউঞ্জ, হ্যাটফিল্ড।
ইস্ট অ্যাংলিয়া: জমিদার মহল, লিটলপোর্ট, কেমব্রিজ।
ইস্ট মিডল্যান্ডস: স্পাইসেস অব প্যারাডাইস, হ্যারল্ড, বেডফোর্ড।
সাসেক্স: দারুচিনি, হরশাম।
কেন্ট: স্পাইস ভিলেজ, নিউ অ্যাশ গ্রিন, লংফিল্ড।
অঞ্চলভিত্তিক বর্ষসেরা টেকঅ্যাওয়ে
উত্তর ওয়েলস: জলসা, কনউই।
এসেক্স: কানি কানা, আপমিনস্টার।
নর্থ ওয়েস্ট: তান্দুরি ফ্লেমস ইন্ডিয়ান টেকঅ্যাওয়ে, লিটলবরো।
দক্ষিণ ওয়েলস: স্যাফরন কিচেন, পন্টিনিউড, কুমব্রান।
কেন্ট: ঝাল চিলি, মেইডস্টোন।
স্কটল্যান্ড: গুর্খা কিচেন, ফ্রেজারবরা।
ইস্ট অ্যাংলিয়া: ক্যাম স্পাইস, বার হিল, কেমব্রিজ।
ওয়েস্ট মিডল্যান্ডস: স্পাইস ফিউশন, বার্সলেম, স্টোক-অন-ট্রেন্ট।
সাসেক্স: হরশাম তান্দুরি, হরশাম।
হার্টফোর্ডশায়ার: স্যাফরন, বোরহ্যামউড।
নর্থ ইস্ট: বালতি হাট, লিনথর্প, মিডলসব্রো।
ইস্ট মিডল্যান্ডস: শিপন তান্দুরি, চেস্টারফিল্ড।