লন্ডনের বাকিং অ্যান্ডডেগেনহামে আবারো কাউন্সিলর নির্বাচিত হলেন জগন্নাথপুরের অজান্তা

প্রকাশিত: ১২:১৬ পূর্বাহ্ণ, মে ১০, ২০২৬ | আপডেট: ১২:১৬:পূর্বাহ্ণ, মে ১০, ২০২৬

 

 

 

 

 

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি – সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরের মেয়ে লন্ডনের বাকিং অ্যান্ড ডেগেনহামে

 

 

 

আবারো কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। লেবারপার্টির প্রার্থী হিসেবে গত ৭ মে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। এর আগে ২০২৪ সালে উপ নির্বাচনে প্রথম বারের মতো একজন বাঙালি হিসেবে তিনি কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছিলেন।

 

 

 

 

 

 

 

 

তিনি জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের ঐয়ারদাস গ্রামের শিক্ষানুরাগী সমাজকর্মী জোর্তিময় দেবরায় ও গৃহিণী রমা রানী দেবের জ্যেষ্ট কন্যা।

 

 

 

 

অজান্তা দেবরায়ের পারিবারিক ও রাজনৈতিক সূত্র জানায়, তিনি দেশে থাকাবস্হায় ২০০১ সালে বাংলাদেশে জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন। সিলেট মুরারি চাঁদ কলেজের শিক্ষার্থী হিসেবে পড়ালেখাকালীন সময়ে ভারতের বেঙ্গালুরু বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়ে ভর্তি হয়ে সেখান থেকে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন।

 

 

 

 

 

 

২০১১ সালে তিনি যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান এবং লন্ডনের ইউনির্ভাসিটি অব চেস্টারশায়ার থেকে এমবিএ ও লন্ডনের সোয়াস থেকে পলিটিক্স রাইটস অ্যান্ড জাস্টিস বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন।

 

 

 

 

 

সেখানে লেখাপড়ার পাশাপাশি মানবাধিকার কমী হিসেবে কাজ শুরু করেন। বাংলাদেশ সহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একজন মানবাধিকার কর্মী হিসেবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে অগ্রণী ভূমিকা রাখেন। এরপর থেকে তিনি লেবার পার্টির মুলধারার রাজনীতিতে সক্রিয় হন।

 

 

 

 

 

 

শ্বেতাঙ্গ অধ্যুষিত ভিলেজ ওয়ার্ড এলাকায় দুইজন কাউন্সিলরের মৃত্যুতে ২০২৪ সালে ডিসেম্বর মাসে উপ নির্বাচনে একটিতে অজান্তা দেবরায় কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। গত ৭ মে অনুষ্ঠিত উপ নির্বাচনে লেবার পার্টির প্রার্থী হিসেবে তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে আবারো কাউন্সিলর নির্বাচিত হন।

 

 

 

 

 

 

অজান্তা দেবরায়ের বাবা জগন্নাথপুর উপজেলার পাইলগাঁও ইউনিয়নের ঐয়ারদাস গ্রামের শিক্ষানুরাগী সমাজকর্মী জোর্তিময় দেবরায় জানান, আমার মেয়ে আগামী ৫ বছরের জন্য লেবারপার্টির প্রার্থী হিসেবে কাউন্সিলর নির্বাচিত হওয়ায় আমরা গর্বিত ও আনন্দিত। সে যেন সততা দক্ষতা ও আন্তরিকতা দিয়ে ভোটারদের প্রত্যাশা পূরণ করতে পারে সেজন্য সবার কাছে দোয়া ও আশীর্বাদ প্রার্থী।