কুলাউড়ায় বর্ধিত সভায়-বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত জাতীয় নির্বাচনের রোড ম্যাপ দিতে হবে। -এড.ফয়জুল করিম ময়ূন

উপজেলা বিএনপির সম্মেলন ১৩ সেপ্টেম্বর

প্রকাশিত: ৭:৪২ অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৫, ২০২৫ | আপডেট: ৭:৪২:অপরাহ্ণ, আগস্ট ২৫, ২০২৫

মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির দ্বি বার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল ২০২৫ আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হবে। একই সঙ্গে কাউন্সিলরদের গোপন ভোটে তাদের পছন্দের নেতা নির্বাচিত করতে ৫ সদস্য বিশিষ্ট নির্বাচন কমিশন গঠন করা হয়েছে।

সোমবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে স্থানীয় একটি চায়নিজ রেস্টুরেন্টে কুলাউড়া উপজেলা বিএনপি আয়োজিত বর্ধিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।
কাউন্সিলর জন্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিযুক্ত করা হয়-কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক রেদোয়ান খান কে। অন্য নির্বাচন কমিশনাররা হলেন – অ্যাডভোকেট এ এন এম খালেদ, ড. সাইফুল আলম চৌধুরী, প্রফেসর সামসুল ইসলাম ও আব্দুল মুহিত চৌধুরী।

বর্ধিত সভায় আরও সিদ্ধান্ত হয়- প্রার্থীদের মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ আগামী ৩০ আগস্ট। মনোনয়ন পত্র জমা ৩১ আগস্ট। প্রত্যাহার ও যাচাই বাছাই ২ সেপ্টেম্বর।
কুলাউড়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক রেদোয়ান খানের সভাপতিত্বে ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক বদরুল খান ও আব্দুল জলিল জামালের পরিচালনায় প্রধান অতিথি ছিলেন মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির আহ্বায়ক ফয়জুল করিম ময়ূন, বিশেষ অতিথি ছিলেন -সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন।
এতে আরও বক্তব্য রাখেন – জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট আবেদ রাজা,উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য শওকতুল ইসলাম শকু, জয়নাল আবেদীন বাচ্চু, বদরুজ্জামান সজল,শামীম চৌধুরী, আবদুল মজিদ, আবু সুফিয়ান প্রমুখ।
সভায় জানানো হয় কুলাউড়া উপজেলার ১৩ টি ইউনিয়ন বিএনপির ৯২৩ জন ভোটার কাউন্সিলে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির আহ্বায়ক এডভোকেট ফয়জুল করিম ময়ূন বলেন- ” দেশে নির্বাচন বানচালের পায়ঁতারা চলছে। বিনিয়োগ আটকে গেছে। আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি হচ্ছে। জনগণের ভোটে একটা নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকার ছাড়া দেশে বিনিয়োগ সহ আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নতি হবে না। বর্তমান পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত জাতীয় নির্বাচনের রোড ম্যাপ দিতে হবে।
দলের নেতৃবৃন্দের উদ্দেশ্যে ময়ূন বলেন- “যেহেতু দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে নেতৃত্ব নির্বাচনে কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে, তাই নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা হবে, কোন প্রতিহিংসা করা যাবে না। সকলে ঐক্যবদ্ধ ভাবে দলকে পুনর্গঠন প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নিয়ে সুসংগঠিত করতে হবে।
নেতৃত্ব বাছাই নিয়ে ময়ূন আরও বলেন- “ছোট কালে আমরা স্কুলে দৌড় প্রতিযোগিতা করতাম, এতে কেউ প্রথম হতাম কেউ দ্বিতীয় কেউ তৃতীয় হতাম। আবার আমরা সকলে মিলে মিশে স্কুলের বেঞ্চে একসাথে বসতাম। ঠিক তেমনি আমাদের দলের আগামীর নেতৃত্বে নির্বাচনে প্রতিযোগিতা হবে ঠিক তবে কোন রকমের প্রতিহিংসার স্থান যেন আমাদের মাঝে না হয়। সকলে মিলেমিশে চলতে হবে”।
সদস্য সচিব আব্দুর রহিম রিপন বলেন- ” সামনে জাতীয় নির্বাচন। তাই আগামীদিনের নেতৃত্ব বাছাইয়ে যেনো দলের দু: সময়ের ত্যাগীরা স্থান পান সেদিকে কাউন্সিলরা সজাগ দৃষ্টি রাখেন। কোনো ক্রমেই যেনো দু: সময়ের দুর্দিনে দেয়া নেতৃত্ব কে আমরা না হারাই।