ইতালিতে বসবাসরত শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সম্ভাবনার দার খুলছে ন্যাশনাল এডুকেশন সেন্টার

প্রকাশিত: ৬:১৫ পূর্বাহ্ণ, মে ১৯, ২০২৬ | আপডেট: ৬:১৫:পূর্বাহ্ণ, মে ১৯, ২০২৬

 

মিনহাজ হোসেন, বিশেষ প্রতিনিধি :

ইতালির রোম শহরে বসবাসরত শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণে কাজ করে যাচ্ছে ন্যাশনাল এডুকেশন সেন্টার । প্রতিষ্ঠানটির উদ্যোগে সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে এক প্রাণবন্ত গেট-টুগেদার ও বিশেষ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে “ইন্টেগ্রাসিওনে ইন ইতালিয়া” শীর্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ সেশনের আয়োজন করা হয়। এতে ইতালির সমাজব্যবস্থা, ভাষা শিক্ষা, পেশাগত দক্ষতা অর্জন এবং স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়।

আয়োজনে শিক্ষার্থীদের জন্য ছিল সংক্ষিপ্ত মূল্যায়ন পরীক্ষা, পুরস্কার বিতরণ, কথোপকথন দক্ষতা যাচাই এবং পারস্পরিক পরিচিতি ও যোগাযোগমূলক কার্যক্রম। অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন পর্বে অংশ নিয়ে নিজেদের ভাষাগত আত্মবিশ্বাস ও যোগাযোগ দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ পান।

অনুষ্ঠানে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন ন্যাশনাল এডুকেশন সেন্টার -এর পরিচালক এবং ন্যাশনাল এডুকেশন সেন্টারের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষিকা শেখ শান্তা মারিয়া। তিনি বলেন, ইতালিতে সম্মানজনক ও স্থিতিশীল ভবিষ্যৎ গড়তে ভাষা শিক্ষার পাশাপাশি পেশাগত দক্ষতা অর্জনের বিকল্প নেই। এজন্য শিক্ষার্থীদের আরও মনোযোগী ও পরিশ্রমী হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

এ সময় ন্যাশনাল সিএএফ এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। তিনি ভাষা শিক্ষা, সামাজিক সম্পৃক্ততা এবং দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে ইতালিতে সফলভাবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার বিষয়ে বিভিন্ন দিকনির্দেশনা দেন।

অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলেন ন্যাশনাল এডুকেশন সেন্টারের কোর্স সমন্বয়কারী সুমাইয়া রহমান ও সীমা আক্তার। তাদের অংশগ্রহণে শিক্ষার্থীরা উৎসাহের সঙ্গে বিভিন্ন কার্যক্রমে অংশ নেন।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানায়, শিক্ষার্থীদের ভাষাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, আত্মবিশ্বাস গড়ে তোলা এবং পারস্পরিক যোগাযোগ বাড়ানোর লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও নিয়মিত এ ধরনের কর্মসূচি আয়োজন করা হবে।

উল্লেখ্য, রোমভিত্তিক ন্যাশনাল এডুকেশন সেন্টার দীর্ঘদিন ধরে প্রবাসীদের জন্য ভাষা শিক্ষা ও পেশাগত প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি ইতোমধ্যে স্থানীয় বাংলাদেশি কমিউনিটিতেও ইতিবাচক সাড়া ফেলেছে।