জগন্নাথপুর প্রতিনিধি :
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার বিবিয়ানা মরণকালী নদীর উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছ ধরতে গিয়ে একটি সংঘবদ্ধ চক্রের বাঁধার মুখে পড়ার অভিযোগ উঠেছে। চক্রটি মাছ ধরার জন্য মৎস্যজীবির কাছে চাঁদা দাবি করে চাঁদা না দেয়ায় মাছধরার জিনিসপত্র জোরপূর্বক লুট করে নিয়ে যায়। এসব অভিযোগে উপজেলার আশারকান্দি ইউনিয়নের ফেচিরবাজার এলাকার মৎস্যজীবি সাহেরুল ইসলাম বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। যার প্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
পুলিশ এলাকাবাসী ও মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, বিবিয়ানা মরণকালী নদী একটি উন্মুক্ত জলাশয় হিসেবে জেলেরা মাছ ধরে প্রতি বছর জীবিকা নির্বাহ করেন। যারধারাবাহিকতায় একজন প্রকৃত মৎস্যজীবি হিসেবে সাহেরুল ইসলাম জাল নৌকা দিয়ে মাছ ধরতে গেলে বড়ফেচি পূর্বপাড়া গ্রামের কামরুল, জুবেল,বাবুল নামের একটি সংঘবদ্ধ চক্র বাধা দেয়।
মৎস্যজীবি সাহেরুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, আমি একজন জেলে হিসেবে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করে আছি। বিবিয়ানা মরণকালী উন্মুক্ত নদীতে মাছ ধরার জন্য কাটাবাঁশ লাগানোর পাশাপাশি নৌকা ও জাল দিয়ে মাছ ধরতে গেলে কামরুল,জুবেল,বাবুল বাধা দেয় মাছ ধরতে হলে এক লাখ টাকা তাদের কে দিতে দাবি করে। টাকা না দেয়ায় আমাকে ও আমার স্ত্রী কে মারধর করে নৌকা, জাল সহ মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এতে আমার প্রায় এক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।আমি এঘটনায় আদালতে মামলা দায়ের করেছি। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
জগন্নাথপুর থানার উপ পরিদর্শক কবির আহমেদ বলেন, আদালতের নির্দেশে মামলা তদন্ত করছি। শ্রীঘ্রই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করব।

