কাজের কথা বলে আশ্রয়, অত:পর ২০ ভরি স্বর্নালঙ্কারসহ ৩০ লাখ টাকার মালামাল নিয়ে চস্পট

প্রকাশিত: 12:28 AM, January 13, 2025 | আপডেট: 12:28:AM, January 13, 2025

জগন্নাথপুর প্রতিনিধি:

কাজের কথা বলে আশ্রয় নিলেন এক মধ্যবয়সি নারী। পরে সুকৌশলে গৃহকর্তা ও গৃহিনীকে ঘুমের ঔষধ খাওয়ায়ে অচেতন করে স্বর্নালঙ্কার, মোবাইলফোন, কাপড়-চোপড় নিয়ে চম্পট দেয় ওই নারী।
গত শনিবার দিবাগত রাতে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার পাটলী ইউনিয়নের হামিদপুর গ্রামে এ ঘটনাটি ঘটেছে।
আজ রবিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ঘটনাটি ভাইরাল হয়।

জানা যায়, ওই গ্রামের কাঁচা মিয়ার বাড়িতে শুক্রবার কাজের জন্য আশ্রয় নেন মিথিলা বেগম নামের এক নারী। এ সময় তিনি গৃহকর্তা কাঁচা মিয়াকে জানান, হাসান নামের তার এক ছেলে আছে। ওই ছেলে তাকে ছেড়ে অন্য জায়গা চলে গেছে। এখন তার আর কেউ নেই। এজন্য তিনি কাজের লোক হিসেবে থাকতে চান।তার সহজ সরল কথায় গৃহকর্তা রাজি হয়ে গেলেন। কাঁচা মিয়ার ছেলে সন্তানরা যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন। বাড়িতে তিনি ও তাঁর স্ত্রী থাকেন। শনিবার রাতে খাওয়া রাতের খাওয়া দাওয়া শেষে তাঁরা ঘুমিয়ে পড়েন।। রাত দুইটার দিকে কাঁচা মিয়ার স্ত্রী পালঙ্ক (খাট) থেকে নিচে পড়ে পড়ে যান। এসময় তিনি অস্থিরতা করতে থাকেন। ষÍ্রীর শব্দে গৃহকর্তা ঘুম থেকে উঠে স্ত্রীকে খাটে তুলেন। ওই দ্রুত পাশের ঘর থেকে কাজের মহিলা ছুটে এসে তাদের দুজনকে ভিক্স লাগিয়ে দিলে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। ফজরের নামাজের জন্য ভোরে কাঁচা মিয়া ঘুম থেকে উঠে স্ত্রীকে ডাকতে গিয়ে দেখেন তিনি অচেতন অবস্থায়। ঘরের কাপড়-চোপড় নেই। কাজের মহিলাও নেই। ঘরে থাকা ২০ ভরি স্বর্নালঙ্কার, একটি নতুন স্মাটফোন ও কাপড়-চোপড় পাওয়া যায় নি।
এদিকে গৃহকর্তার স্ত্রীকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

গৃহকর্তা কাঁচা মিয়া বলেন, সে একজন অসহায় নারী বলে কাজের জন্য আশ্রয় নেয়। রাতের খাওয়ারের সঙ্গে ঘুমের ঔষধ মিশিয়ে খাওয়ায়ে অচেতন করে একটি মোবাইল, প্রায় ২০ ভরি স্বর্নালঙ্কারসহ প্রায় ৩০ লাখ টাকার মালামাল চুরি করে পালিয়ে গেছে।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য ছায়াদুর রহমান।