‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতে এগোবে পররাষ্ট্রনীতি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান
বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ভবিষ্যতে ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট‘ নীতিকে সামনে রেখেই পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, দেশের জাতীয় স্বার্থ, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা আরও জোরদার করাই হবে সরকারের প্রধান লক্ষ্য।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও কার্যকর ও ফলপ্রসূ করতে বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে পারস্পরিক সম্মান, সহযোগিতা এবং স্বার্থের ভিত্তিতে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে চায়। তিনি উল্লেখ করেন, বাণিজ্য, জ্বালানি নিরাপত্তা, আঞ্চলিক সংযোগ এবং প্রযুক্তিগত সহযোগিতা আগামী দিনের কূটনৈতিক অগ্রাধিকারের মধ্যে থাকবে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর এআরএফ সম্মেলনের ফাঁকে যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, চীন ও পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠকে
সরকারের এই নীতির আওতায় বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ, রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের স্বার্থ রক্ষায় নতুন উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠার মতো বৈশ্বিক ইস্যুতেও বাংলাদেশ সক্রিয় ভূমিকা অব্যাহত রাখবে।
টমি মিয়ার তত্ত্বাবধানে কাচ্চি বিরিয়ানি চ্যালেঞ্জ
বিশ্লেষকদের মতে, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট‘ নীতি মূলত দেশের অর্থনৈতিক ও কৌশলগত স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনার একটি নতুন দৃষ্টিভঙ্গি। এর মাধ্যমে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রেখে উন্নয়ন সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করার সুযোগ সৃষ্টি হবে।
ছাত্ররাজনীতির ময়দান থেকে জীবনসঙ্গীর হাত: পরিণয়ে আবদ্ধ ডাকসু ভিপি সাদেক কায়েম
সরকারের প্রত্যাশা, এই নীতির ফলে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হবে এবং বৈদেশিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও উন্নয়ন সহযোগিতার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক বিভিন্ন ইস্যুতে দেশের কণ্ঠস্বর আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরা সম্ভব হবে।

