ঘরের মাঠে সাদা পোশাকের লড়াইয়ে বাংলাদেশকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সিলেটে পৌঁছেছে পাকিস্তান ক্রিকেট দল। তিন ম্যাচ টেস্ট সিরিজের গুরুত্বপূর্ণ ২য় ম্যাচে জয়ের লক্ষ্য নিয়ে ইতোমধ্যে সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে পুরোদমে অনুশীলন শুরু করেছে সফরকারীরা।
কন্ডিশন ও পিচ নিয়ে বিশেষ পরিকল্পনা রয়েছে পাকিস্তান দলের।
সিলেটের উইকেট সাধারণত ব্যাটারদের জন্য কিছুটা সহায়ক হলেও পেসাররা এখানে বাড়তি সুবিধা পেয়ে থাকেন। পাকিস্তানের বোলিং লাইনআপের মূল শক্তি তাদের গতি। তাই কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে নেটে দীর্ঘক্ষণ বোলিং ঝালিয়ে নিচ্ছেন শাহীন শাহ আফ্রিদি এবং নাসিম শাহরা। অন্যদিকে, স্পিন বিষে নীল করতে প্রস্তুত আবরার আহমেদও।
অনুশীলনে ব্যাটারদের সতর্ক করা হচেছ বাংলাদেশের স্পিন শক্তির ব্যপারে।
বাংলাদেশের স্পিন আক্রমণ পাকিস্তানের জন্য সবসময়ই বড় পরীক্ষা। তাই নেটে মেহেদী হাসান মিরাজ বা তাইজুলদের মতো বোলারদের মোকাবিলা করতে সুইপ ও রিভার্স সুইপ শটের ওপর জোর দিচ্ছেন বাবর আজম ও মোহাম্মদ রিজওয়ান। দীর্ঘ সেশনে তাদের ব্যাটিং ড্রিল করতে দেখা গেছে।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে হতে যাওয়া ২য় টেস্টের দু দলেরই মূল লক্ষ্য বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের পয়েন্ট তালিকায় নিজেদের অবস্থান শক্ত করা।
বাংলাদেশের শক্তির যায়গা অভিজ্ঞ ব্যাটিং লাইনআপ এবং বৈচিত্র্যময় বোলিং আক্রমণ।
“বাংলাদেশের মাটিতে খেলা সবসময়ই চ্যালেঞ্জিং। তবে এখানকার কন্ডিশন আমাদের দেশের অনেকটা কাছাকাছি। আমরা আমাদের শক্তির জায়গায় ফোকাস করছি এবং সিলেটে একটি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচ উপহার দিতে চাই।” — পাকিস্তান টিম ম্যানেজমেন্ট।
জয়ের সন্ধানে দুই দলই। টাইগাররা যখন নিজেদের ডেরায় আধিপত্য ধরে রাখতে মরিয়া, তখন পাকিস্তান চাইছে বিদেশের মাটিতে সিরিজ জয়ের স্বাদ নিতে। দুই দলের সাম্প্রতিক ফর্ম বিবেচনায় একটি জমজমাট লড়াইয়ের অপেক্ষায় আছেন সিলেটের ক্রিকেটপ্রেমীরা।

