কুলাউড়ায় হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের ৭ দফা দাবিতে গণ-অনশন পালিত

প্রকাশিত: ১১:৩৩ অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২২, ২০২২ | আপডেট: ১১:৩৩:অপরাহ্ণ, অক্টোবর ২২, ২০২২

কুলাউড়ায় ৭ দফা দাবিতে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের গণ-অনশন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। শনিবার (২২ অক্টোবর) সকাল ৯টা থেকে শহরস্থ বঙ্গবন্ধু উদ্যানের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার প্রাঙ্গণে এই কর্মসূচি পালিত হয়।

 

পরিষদের উপজেলা কমিটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বিচিত্র রঞ্জন দে-এর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক গৌরা দে-এর পরিচালনায় অনশন কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন পরিষদের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেনু মাধব শীল, মৌলভীবাজার জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সহসভাপতি সৌম্য প্রদীপ ভট্টাচার্য সজল, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাবেক সভাপতি অরবিন্দু ঘোষ, সাবেক সম্পাদক নির্মাল্য মিত্র সুমন, ঐক্য পরিষদের উপজেলা কমিটির যুগ্ম সম্পাদক যাদবেন্দ্র রায়, জেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাবেক সদস্য সাংবাদিক স্বপন কুমার দেব রতন, ঐক্য পরিষদের উপজেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক তুষার কান্তি দে চৌধুরী, প্রচার সম্পাদক অশোক চন্দ, কোষাধ্যক্ষ জ্যোতি বিকাশ দেব, উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সদস্য সচিব অজয় দাস, পৌর কমিটির সদস্য সচিব গবিন্দ দে, টিএসএস-এর যুগ্ম আহবায়ক বিজন দাস, আদিবাসী নেতা পিটার উরাম, আদিবাসী নেত্রী হেপি উরাম, জয়চণ্ডী ইউপি মহিলা মেম্বার সাবিত্রী রাজভর প্রমুখ।

 

 

এদিকে, গণ-অনশনের খবর পেয়ে বেলা ১টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রেনু, সাধারণ সম্পাদক আসম কামরুল ইসলাম ও মৌলভীবাজার জেলা জাসদের সভাপতি মইনুল ইসলাম শামীম ও কুলাউড়া প্রেসক্লাব সাধারন সম্পাদক মোঃ খালেদ পারভেজ বখশ কর্মসূচির সাথে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন।

পরে উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম রেনু অনশনরত নেতাকর্মীদের শরবত পান করিয়ে অনশন প্রত্যাহার করান।

 

পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গৌরা দে বলেন, আমাদের এই গণ-অনশন কর্মসূচি দেশব্যাপী পালিত হচ্ছে। এর অংশ হিসেবে আমাদের এই কর্মসূচি। আমরা চাই সরকার দ্রুত আমাদের দাবিগুলো বিশেষ বিবেচনা নিয়ে বাস্তবায়ন করুক।

 

 

তিনি জানান, পরিষদের দাবির মধ্যে রয়েছে: ২০১৮ সালের নির্বাচনী ইস্তেহারে সরকারি দলের প্রতিশ্রুতি-সংখ্যালঘু সুরক্ষা আইন, বৈষম্য বিলোপ আইন, দেবোত্তর সম্পত্তি সংরক্ষণ আইন প্রণয়ন, জাতীয় সংখ্যালঘু কমিশন গঠন, অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইন, পার্বত্য শান্তিচুক্তি ও পার্বত্য ভূমি বিরোধ নিষ্পত্তি কমিশন আইনের দ্রুত বাস্তবায়ন এবং সমতলের আদিবাসীদের জন্যে পৃথক ভূমি কমিশন গঠন।