বাংলাদেশ

ও-লেভেল, এ-লেভেল পরীক্ষা নির্ধারিত সময়ে হবে : ব্রিটিশ কাউন্সিল

ব্রিটিশ কাউন্সিল জানিয়েছে অক্টোবর-নভেম্বর সেশনের ইন্টারন্যাশনাল জিসিএসই, আইজিসিএসই, ও-লেভেল ও এ-লেভেল পর্যায়ের পরীক্ষা নির্ধারিত সময়সূচি…

প্রথম দিনেই সর্বোচ্চ দামে ওয়ালটন শেয়ারের লেনদেন শুরু

ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলো দেশীয় ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডের…

আগের ৩৭টি পণ্য এবারও রপ্তানিতে নগদ সহায়তা পাবে

দেশের রপ্তানি বাণিজ্য উৎসাহিত করতে এবছরও নগদ সহায়তা দেবে সরকার। গত অর্থবছরে যে ৩৭টি পণ্যের বিপরীতে নগদ সহায়তা দেওয়া হয়েছিল ঐ পণ্যগুলো চলতি অর্থবছরের নগদ সহায়তা পাবে। গত সোমবার এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত অর্থবছরে উল্লিখিত পণ্য রপ্তানির বিপরীতে বিদ্যমানহারে ২০২০-২১ অর্থবছরেও আলোচ্য সুবিধা বহাল থাকবে।   সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক, নতুনভাবে তৈরি পোশাক খাতে ১ শতাংশ বিশেষ নগদ সহায়তা দেবে সরকার। এছাড়া কনজ্যুমার ইলেক্ট্রনিক্স, ইলেকট্রিক্যাল হোম ও কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স পণ্য খাতে মিলবে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা।   প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, দেশীয় বস্ত্র খাতে শুল্ক বন্ড ও ডিউটি ড্র-ব্যাকের পরিবর্তে বিকল্প নগদ সহায়তা, বস্ত্র খাতের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের অতিরিক্ত সুবিধা, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ইইউ ছাড়া নতুন পণ্য বা বাজার সম্প্রসারণ সহায়তা, ইউরো অঞ্চলে বস্ত্র খাতে রপ্তানিকারকদের জন্য বিদ্যমান ৪ শতাংশের অতিরিক্ত বিশেষ সহায়তা ২ শতাংশ অব্যাহত থাকবে। এসব সুবিধার বাইরে এবার তৈরি পোশাকশিল্পের যেসব রপ্তানিকারক কোনো নগদ সহায়তা পান না, তাদের জন্য ১ শতাংশ বিশেষ নগদ সহায়তা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। চামড়াজাত পণ্য, ফার্নিচার, জাহাজ, প্লাস্টিকপণ্য, পেট বোতল-ফ্লেক্স হতে উত্পাদিত পলিইয়েস্টার স্টাপল ফাইবার, শস্য ও শাকসবজির বীজ, পাটকাঠি থেকে উত্পাদিত কার্বন, পাটজাত পণ্য, আলু, সাভারে চামড়া শিল্পনগরীতে স্থানান্তরিত শিল্পপ্রতিষ্ঠান থেকে ক্রাস্ট ও ফিনিশড লেদার, দেশে উত্পাদিত কাগজ ও কাগজ জাতীয় দ্রব্য, আগর ও আতর, কৃষিপণ্য, গরু-মহিষের নাড়িভুঁড়ি, শিং ও রগ (হাড় ছাড়া), হালকা প্রকৌশলপণ্য, হালাল মাংস, হিমায়িত চিংড়ি, একটিভ ফার্মাসিউটিক্যালস ইনগ্রিডাইয়েন্টস (এপিআই), সফটওয়্যার, আইটিইএস ও হার্ডওয়্যার, অ্যাকুমুলেটর ব্যাটারি, সিনথেটিক ও ফেব্রিকস এবং মাছ রপ্তানিতে আগের মতোই নগদ সহায়তা অব্যাহত থাকবে। তবে হোগলা, খড়, আখের ছোবড়া, গাছের পাতা, খোল ও গার্মেন্টসের ঝুট দিয়ে উত্পাদিত পণ্য, পেট বোটল ফ্লেক্স রপ্তানির বিপরীতে ১০ শতাংশ নগদ সহায়তা পাচ্ছে। গত অর্থবছরে যে ৯টি খাত ও পণ্য নগদ সহায়তার আওতাভুক্ত করা হয় সেগুলো হলো—ওষুধপণ্য, মোটরসাইকেল, সিরামিকদ্রব্য, রেজার ও রেজার ব্লেডস, ফটোভোলটাইক মডিউল, কেমিক্যালপণ্য (ক্লোরিন, হাইড্রোক্লোরিক অ্যাসিড, কস্টিক সোডা এবং হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড), টুপি, কাঁকড়া ও কুঁচে (হিমায়িত ও সফটসেল, পরিবেশ ও বন বিভাগের ছাড়পত্র গ্রহণ সাপেক্ষে) এবং গলিত শিট। এসব খাতেও নগদ সহায়তা আগের মতোই অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে।